রাখাইনে পুলিশের ৪টি নতুন স্থাপনা

0
66

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে সীমান্তবর্তী এলাকায় দেশটির পুলিশের চারটি নতুন স্থাপনা তৈরি করছে কর্তৃপক্ষ। এগুলোর মধ্যে মংডুতে তিনটি এবং বুচিডংয়ে একটি স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে। নিরাপত্তা জোরদারে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পগুলোর বেশির ভাগই হচ্ছে রোহিঙ্গাদের পোড়া গ্রামগুলোয়।

গত সপ্তাহে মিয়ানমার সরকারের উদ্যোগে স্থানীয় সাংবাদিকদের একটি দল মংডু পরিদর্শন করে। এই দলে ইরাবতীর দুই সাংবাদিকও ছিলেন।

বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, মংডুর প্রাণকেন্দ্র থেকে ১ দশমিক ৬ কিলোমিটার দূরে মিয়ো থু গিয়ে গ্রামে শতাধিক একর জায়গায় দ্রুত স্থাপনা নির্মাণের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। গত ডিসেম্বর মাসের পর থেকে এ পর্যন্ত এই গ্রামের সরকারি কয়েকটি ভবন ছাড়া বাকি সব ধ্বংস হয়েছে। এখানে প্রায় সাড়ে আট হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বাস ছিল একসময়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলেছেন, মিয়ো থু গিয়েতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কারণ মংডু বা এর আশপাশের এলাকায় হামলা হতে পারে বলে তাঁরা আশঙ্কা করছেন।

ইউএনএইচসিআরের উদ্বেগ
রয়টার্স জানায়, উত্তাল সাগরে নৌকায় করে ৫৬ রোহিঙ্গার মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টার ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। গত শনিবার সন্ধ্যায় প্রবল ঝড়ের পর থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপে ভেড়ে নৌকাটি।

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) কার্যালয়ের মুখপাত্র ক্যারোলিন গ্লাক বলেছেন, নৌকাটি গত সপ্তাহে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে সাগরে ভাসে বলে মনে করছেন তাঁরা। ওই রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ইউএনএইচসিআরের এই মুখপাত্র বলেন, ‘যদি তারা চরম দুর্দশার মধ্যে পড়ে থাকে, তাহলে তাদের উদ্ধার ও তীরে নামিয়ে আনা হবে বলে আশা করছি আমরা।’

গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা হয়। এর জেরে সেখানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারপর প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে ক্রমান্বয়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে।

 বাংলাদেশের প্রত্যাখ্যান
এএফপি জানায়, থাইল্যান্ডের তীরে ভেড়া ৫৬ রোহিঙ্গাবাহী নৌকাটি বাংলাদেশ থেকে সাগরে ভাসেনি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা আফজল হক বলেন, ওই নৌকা বাংলাদেশ থেকে যায়নি। এমনটা হলে কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিষয়টা লক্ষ করতেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here